বৃহস্পতিবার, ৩০ Jul ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মাগুরার নিখোঁজ রত্নাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা অন্য কোনো এজেন্সি বা সংস্থায় হস্তান্তর দাবি ট্রাফিক স্কুলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী পালন সবার আগে বাংলাদেশ শীর্ষক টিডিএসে ফ্রি চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের বিদায় বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং উপদেষ্টা মন্ডলী গঠন আরএমপিতে ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত দাকোপের বাজুয়ায় আব্দুল মান্নান খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন কসবায় অবৈধ ড্রেজিংবিরোধী অভিযান, ২টি ড্রেজার ধ্বংস ও ১ লাখ টাকা জরিমানা কসবায় তরুণ মানব সেবা সংগঠনের উদ্যোগে স্বর্ণপদক কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ আল্লামা গোলাম হাক্কানী পীর সাহেব (র) আমার শ্রদ্ধাভাজন উস্তাদ কসবায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নবগঠিত কমিটি শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর,শিক্ষার উন্নয়নে কাজের প্রত্যাশা
মাগুরার নিখোঁজ রত্নাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা অন্য কোনো এজেন্সি বা সংস্থায় হস্তান্তর দাবি

মাগুরার নিখোঁজ রত্নাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা অন্য কোনো এজেন্সি বা সংস্থায় হস্তান্তর দাবি

হাসনাইন সাজ্জাদী।। মাগুরা সদরের পশু হাসপাতাল পাড়ার রত্না খাতুন (৪৫) পিতামৃত আফসার খান নিখোঁজ হয়েছেন গত ৪ জুলাই। এদিন সন্ধ্যা ৭টা ১মিনিটে নিখোঁজ রত্না দেখা করেন বাতিকাডাঙ্গা অস্থায়ী কালীমন্দির সংলগ্ন আক্কাস আলী শেখের সঙ্গে। তার দোকানের নিকট গিয়ে তিনি মোবাইলে ১১সেকেন্ড কথা বলেন। তারপর থেকেই তার মোবাইল বন্ধ ও তিনি নিখোঁজ হন। এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানায় জিডি করেন ও পরবর্তীসময়ে মামলা করতে গেলে মামলা না নিয়ে একটি অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে। রত্না খাতুনের ছোট বোন স্বপ্না আক্তার বাদী হয়ে ডিজি ও অভিযোগটি দিয়েছেন। জিডি নাম্বার ৫৪৫ তাং -৮/৭/২০২৬। অভিযোগের নাম্বার হয় না বলে পুলিশ তাদেরকে জানিয়েছে। অভিযোগপত্রে সরাসরি ফারুককে বিবাদী করা হয়েছে।

আক্কাসের পরিচিত জনৈক ফারুক (পিতা হিরণ মোল্লা,ঠিকানা থানা খাসকান্দি থানা জেলা ফরিদপুর)-এর সঙ্গে রত্না খাতুনের মোহরানা ও যৌতুক মামলা আদালতে বিচারাধীন। মামলা নং -সিআর ১৫৭৭/২৫।
বিবাদী ফারুক রত্না খাতুনের সাবেক স্বামী। কয়েক বছর আগে তিনি রত্না খাতুনের নিকট যৌতুক হিসেবে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন এবং তাকে মারধর করেন বলে মামলার এজাহার থেকে জানা যায়। পরে তিনি তাকে তালাক দেন এবং নতুন করে অন্য একজনকে বিয়ে করেন। তারপরই রত্না খাতুন তাকে আসামী করে মামলা দায়ের করলে ফারুক ও তার বর্তমান স্ত্রী দ্বারা নানা ধরনের হুমকির মধ্যে ছিলেন। পুলিশ দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হলেও নিখোঁজ রত্নার কোনো খোঁজ বের করতে পারেনি। পিবিআই, সিআইডি কিংবা অধিকতর সক্রিয় কোন সংস্থা বা এজেন্সি তে মামলাটি হস্তান্তরের দাবি রত্নার প্রবাসী কন্যা আঁচলের।

জানা গেছে, রত্না খাতুন যখন তার পশু হাসপাতাল পাড়ার বাসা থেকে বের হন তখন এক প্রতিবেশী তার নিকট জানতে চান তিনি কোথায় যান। জবাবে তিনি বলেন, আমি বাজার আনতে যাই।

তারপর সন্ধ্যা ৭.০১ মিনিটে তিনি বাতিকাডাঙ্গার সেনিটারি মিস্ত্রি ও চুলা বিক্রেতা আক্কাস আলী শেখকে মোবাইল দেন। তার দোকানের নিকট গিয়ে তিনি মোবাইলে তার সঙ্গে ১১সেকেন্ড কথা বলেন। তারপর থেকেই তার মোবাইল বন্ধ ও তিনি নিখোঁজ হন।

মোবাইলে তিনি আক্কাসকে বলেন ভাই ‘আপনি কোথায়? আমি আপনার দোকানে এসেছি।’ আক্কাস বলেন আমি আসছি। আপনি একটু অপেক্ষা করুন। তার কয়েক মিনিটের মধ্যেই রত্না খাতুনের মোবাইল বন্ধ হয়ে যায়।

রত্না খাতুনেরে একমাত্র মেয়ে বৃটেন প্রবাসী। তিনি জানান, এই আক্কাস আলী শেখ সেনিটারি মিস্ত্রি ও চুলা বিক্রেতা। তার নিকট থেকে নিখোজ রত্না আক্তার বেশ কয়েক বছর আগে একটি চুলা কিনেন। এই সূত্রে তার সঙ্গে পরিচয়। সে রত্না খাতুনের সাবেক স্বামী এবং তার মা’কে অপহরণ করে গুম করতে পারেন এই সন্দেহেভাজন ফারুকের পূর্বপরিচিত। চুলার দাম রত্না খাতুন অনেক আগেই পরিশোধ করেছেন। এটা আঁচল জানেন। আঁচল জানান, এখন আক্কাস আলী শেখের সঙ্গে নিখোঁজ রত্না খাতুনের কী কাজ থাকতে পারে- তার জবাবে সে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করে চলেছে। সে চুলার বকেয়া ১ হাজার টাকা দিতে গেছেন বলে জানায়। টেলিফোনালাপের সূত্র ধরে আক্কাসকে মাগুরা থানা পুলিশ একাধিকবার থানায় নিয়ে গেলেও তার নিকট থেকে কোনো তথ্য বের করতে না পেরে প্রতিবারই তাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
আঁচল অভিযোগ করেন পুলিশ ফারুককে এখনো আটক করেনি। এ বিষয়ে পুলিশ আঁচলকে জানিয়েছে, ফারুক তার মোবাইল এখনো খোলা রেখেছে এবং সে তাঁর ঠিকানা পরিবর্তন করেনি। তাই ফারুককে সন্দেহ করছে না পুলিশ।
আঁচলের অভিযোগ, ফারুক তার মায়ের দ্বিতীয় স্বামি। সে তার মাকে ডিভোর্স দেওয়ার আগে তার নিকট ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। যৌতুকের টাকা না পেয়ে সে তাকে মারধোর করে ডিভোর্স দেয় এবং আরেকটি বিয়ে করে। রত্না খাতুন বাদি হয়ে ফারুকের নামে আদালতে মামলা করেন। তারপর থেকেই ফারুক ও তার নতুন স্ত্রী তাকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিয়ে এসেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত পুলিশ তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। তিনি মামলাটি পিবিআই সিআইডি কিংবা অধিকতর সক্রিয় কোনো এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানায় প্রথমে একটি জিডি করা হয়। পরবর্তীসময়ে মামলা করতে গেলে মামলা না নিয়ে একটি অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে। রত্না খাতুনের ছোট বোন স্বপ্না আক্তার বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় ডিজি ও অভিযোগ দায়ের করেছেন। জিডি নাম্বার ৫৪৫ তাং-৮/৭/২০২৬। স্বপ্না জানান, অভিযোগের নাম্বার হয় না বলে পুলিশ তাদেরকে জানিয়েছে। অভিযোগপত্রে সরাসরি ফারুককে বিবাদী করা হয়েছে।

আক্কাসের পরিচিত অপহরণ ও গুমের অভিযোগে সন্দেহভাজন ফারুকের পিতা হিরণ মোল্লা, ঠিকানা: থানা খাসকান্দি থানা জেলা ফরিদপুর। ফারুক তার সাবেক স্বামী। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, তার সঙ্গে রত্না খাতুনের মোহরানা ও যৌতুকের একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। মামলার নং সিআর ১৫৭৭/২৫। তিনি তাকে গুম করে থাকতে পারেন। কয়েক বছর আগে তিনি রত্না খাতুনকে তালাক দেন এবং নতুন করে অন্য একজনকে বিয়ে করেন। তারপরই রত্না খাতুন তাকে আসামী করে মামলা দায়ের করলে ফারুক ও তার বর্তমান স্ত্রী দ্বারা নানা ধরনের হুমকির মধ্যে ছিলেন। পুলিশ দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হলেও তার কোনো খোঁজ বের করতে পারেনি। পিবিআই, সিআইডি কিংবা অধিকতর সক্রিয় কোনো সংস্থা বা এজেন্সিতে মামলাটি হস্তান্তরের দাবি রত্নার প্রবাসী কন্যা আঁচলের।

জানা গেছে, রত্না খাতুন যখন তার পশু হাসপাতাল পাড়ার বাসা থেকে বের হন তখন এক প্রতিবেশী তার নিকট জানতে চান তিনি কোথায় যান। জবাবে তিনি বলেন আমি একা মানুষ। আমি বাজার আনতে যাই।
তারপর সন্ধ্যা ৭.০১ মিনিটে তিনি আক্কাস আলী শেখকে মোবাইল দেন। মোবাইলে তিনি আক্কাসকে বলেন ভাই ‘আপনি কোথায়? আমি আপনার দোকানে এসেছি। আক্কাস বলেন আমি আসছি। আপনি একটু অপেক্ষা করুন। তার কয়েক মিনিটের মধ্যেই রত্না আক্তারের মোবাইল বন্ধ হয়ে যায়।

জানাযায়, রত্না আক্তারের একমাত্র মেয়ে বৃটেন প্রবাসী। তিনি জানান, এই আক্কাস আলী শেখ সেনিটারি মিস্ত্রি ও চুলা বিক্রেতা। তার নিকট থেকে নিখোজ রত্না আক্তার বেশ কয়েক বছর আগে একটি চুলা কিনেন। এই সূত্রে তার সঙ্গে পরিচয়। সে রত্না আক্তারের সাবেক স্বামী এবং আঁচলের ভাষ্যমতে তার মা’কে অপহরণ করে গুমের সন্দেহভাজন ফারুকের পূর্বপরিচিত। চুলার দাম রত্না খাতুন অনেক আগেই পরিশোধ করেছেন। এটা আঁচল তার নিকট থেকে শুনেছেন। আঁচল আরো জানান, এখন আক্কাস আলী শেখের সঙ্গে নিখোঁজ রত্না খাতুনের কী কাজ থাকতে পারে তার জবাবে সে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করে চলেছে। সে চুলার বকেয়া ১ হাজার টাকা দিতে গেছেন বলে প্রতিবারই জানায়। টেলিফোনালাপের সূত্র ধরে আক্কাসকে মাগুরা থানা পুলিশ একাধিকবার থানায় নিয়ে গেলেও তার নিকট থেকে কোনো তথ্য বের করতে না পেরে প্রতিবারই ছেড়ে দিয়েছে। আঁচলের সন্দেহ আক্কাস তার মাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ফারুকের লোকের হাতে তুলে দিয়ে থাকতে পারে।

আঁচল অভিযোগ করেন পুলিশ ফারুককে এখনো আটক করেনি। এ বিষয়ে পুলিশ আঁচলকে জানিয়েছে, ফারুকের মোবাইল এখনো খোলা রেখেছে এবং সে তাঁর ঠিকানা পরিবর্তন করেনি। তাই ফারুককে সন্দেহ করছে না পুলিশ।

আঁচলের অভিযোগ, ফারুক তার মাকে ডিভোর্স দেওয়ার আগে তার নিকট ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। যৌতুকের টাকা না পেয়ে সে তাকে মারধোর করে ডিভোর্স দেয় এবং আরেকটি বিয়ে করে। রত্না খাতুন বাদি হয়ে ফারুকের নামে আাদালতে মামলা করেন। তারপর থেকেই ফারুক ও তার নতুন স্ত্রী তাকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিয়ে এসেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত পুলিশ তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। তিনি মামলাটি পিবিআই, সিআইডি কিংবা অধিকতর সক্রিয় কোনো সংস্থা বা এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD